রংপুর প্রতিনিধি:
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) বহুল প্রতীক্ষিত ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আইন পাস হয়েছে। রাষ্ট্রপতি গত সোমবার এতে অনুমোদন দেন এবং মঙ্গলবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক চর্চার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।
খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই ক্যাম্পাসজুড়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ আন্দোলনের ছবি ও স্মৃতি শেয়ার করে আন্দোলনের সফলতায় আনন্দ প্রকাশ করেন।
প্রতিষ্ঠার প্রায় ১৭ বছর পরও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ না থাকায় শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন। আইন প্রণয়ন ও রোডম্যাপ বাস্তবায়নের দাবিতে তারা একাধিকবার আন্দোলন, সংবাদ সম্মেলন, অবস্থান কর্মসূচি ও আমরণ অনশন করেছেন। শিক্ষার্থীরা বলছেন, এই আইন পাস তাদের ত্যাগ ও আন্দোলনের ফসল।
বেরোবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আমিন আল আমিন বলেন, “শিক্ষার্থীদের বহুল প্রত্যাশিত ছাত্র সংসদের নীতিমালার অনুমোদন বেরোবির শিক্ষার্থীদের জন্য খুশির সংবাদ। আমরা চাই নির্বাচন যথাযথ প্রক্রিয়ায় হোক। তবে বিতর্কিত শিক্ষকদের এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হলে শিক্ষার্থীরা তা মেনে নেবে না। নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।”
তিনি আরও বলেন, “অবিলম্বে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে মতবিনিময় সভা জরুরি। তাহলে আমরা নির্বাচনের পথে এগোতে পারব।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সমন্বয়ক ও আমরণ অনশনকারী শিক্ষার্থী এসএম আশিকুর রহমান বলেন, “ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আইন পাস আমাদের দীর্ঘ আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। প্রশাসনের প্রতি আহ্বান—আইনের বাস্তবায়নে আর দেরি না করে নভেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হোক।”
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক রাকিব মুরাদ বলেন, “ছাত্র সংসদ শুধু ভোটের প্রতিযোগিতা নয়, এটি শিক্ষার্থীদের মতামত প্রকাশের মঞ্চ ও নেতৃত্বের অনুশীলন ক্ষেত্র। একটি সক্রিয় ছাত্র সংসদ মানে শিক্ষার্থীদের দাবি ও স্বপ্ন প্রশাসনের দরজায় পৌঁছে দেওয়ার শক্তিশালী মাধ্যম।”
তিনি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান, “অযথা সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুত নির্বাচন সম্পন্ন করা হোক।”
আমরণ অনশনকারী শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান জয় বলেন, “আমাদের আন্দোলনের ফলেই আজ ছাত্র সংসদের আইন বাস্তবায়িত হয়েছে। আমরা সবসময় চেয়েছি গণতান্ত্রিক, অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ একটি ছাত্র সংসদ, যা প্রকৃত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব করবে।”
অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক সাইফুদ্দীন খালেদ বলেন, “ছাত্র সংসদের আইন অনুমোদন ও প্রজ্ঞাপন জারি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে গণতান্ত্রিক চর্চার নতুন দিগন্ত সূচনা করেছে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, “রাষ্ট্রপতি বেরোবি ছাত্র সংসদের নীতিমালায় অনুমোদন দিয়েছেন। আমি শিক্ষার্থীদের আশ্বাস দিয়েছিলাম ৩১ অক্টোবরের মধ্যেই নীতিমালা পাস হবে— সেটি নির্ধারিত সময়ের আগেই পাস হয়েছে। এখন আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে চাই।”
তিনি জানান, দ্রুতই সবার সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচন আয়োজনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে। কমিশন গঠনসহ কারিগরি প্রস্তুতি নিতে হবে। তবে চলতি বছরের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপাচার্য।
খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই ক্যাম্পাসজুড়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ আন্দোলনের ছবি ও স্মৃতি শেয়ার করে আন্দোলনের সফলতায় আনন্দ প্রকাশ করেন।
প্রতিষ্ঠার প্রায় ১৭ বছর পরও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ না থাকায় শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন। আইন প্রণয়ন ও রোডম্যাপ বাস্তবায়নের দাবিতে তারা একাধিকবার আন্দোলন, সংবাদ সম্মেলন, অবস্থান কর্মসূচি ও আমরণ অনশন করেছেন। শিক্ষার্থীরা বলছেন, এই আইন পাস তাদের ত্যাগ ও আন্দোলনের ফসল।
বেরোবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আমিন আল আমিন বলেন, “শিক্ষার্থীদের বহুল প্রত্যাশিত ছাত্র সংসদের নীতিমালার অনুমোদন বেরোবির শিক্ষার্থীদের জন্য খুশির সংবাদ। আমরা চাই নির্বাচন যথাযথ প্রক্রিয়ায় হোক। তবে বিতর্কিত শিক্ষকদের এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হলে শিক্ষার্থীরা তা মেনে নেবে না। নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।”
তিনি আরও বলেন, “অবিলম্বে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে মতবিনিময় সভা জরুরি। তাহলে আমরা নির্বাচনের পথে এগোতে পারব।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সমন্বয়ক ও আমরণ অনশনকারী শিক্ষার্থী এসএম আশিকুর রহমান বলেন, “ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আইন পাস আমাদের দীর্ঘ আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। প্রশাসনের প্রতি আহ্বান—আইনের বাস্তবায়নে আর দেরি না করে নভেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হোক।”
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক রাকিব মুরাদ বলেন, “ছাত্র সংসদ শুধু ভোটের প্রতিযোগিতা নয়, এটি শিক্ষার্থীদের মতামত প্রকাশের মঞ্চ ও নেতৃত্বের অনুশীলন ক্ষেত্র। একটি সক্রিয় ছাত্র সংসদ মানে শিক্ষার্থীদের দাবি ও স্বপ্ন প্রশাসনের দরজায় পৌঁছে দেওয়ার শক্তিশালী মাধ্যম।”
তিনি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান, “অযথা সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুত নির্বাচন সম্পন্ন করা হোক।”
আমরণ অনশনকারী শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান জয় বলেন, “আমাদের আন্দোলনের ফলেই আজ ছাত্র সংসদের আইন বাস্তবায়িত হয়েছে। আমরা সবসময় চেয়েছি গণতান্ত্রিক, অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ একটি ছাত্র সংসদ, যা প্রকৃত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব করবে।”
অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক সাইফুদ্দীন খালেদ বলেন, “ছাত্র সংসদের আইন অনুমোদন ও প্রজ্ঞাপন জারি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে গণতান্ত্রিক চর্চার নতুন দিগন্ত সূচনা করেছে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, “রাষ্ট্রপতি বেরোবি ছাত্র সংসদের নীতিমালায় অনুমোদন দিয়েছেন। আমি শিক্ষার্থীদের আশ্বাস দিয়েছিলাম ৩১ অক্টোবরের মধ্যেই নীতিমালা পাস হবে— সেটি নির্ধারিত সময়ের আগেই পাস হয়েছে। এখন আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে চাই।”
তিনি জানান, দ্রুতই সবার সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচন আয়োজনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে। কমিশন গঠনসহ কারিগরি প্রস্তুতি নিতে হবে। তবে চলতি বছরের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপাচার্য।












