স্টাফ রিপোর্টারঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে’র ডাকসু নির্বাচনে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে। মধ্যরাতে, ছাত্রদলে’র প্রার্থী মো. আবিদুল ইসলাম খান তার ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি নির্বাচনে অংশ গ্রহণকারী একটি বিশেষ প্রতিদ্বন্দ্বী দলের পরিকল্পনা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। পোস্টে আবিদ লিখেছেন, “পরিকল্পিত প্রহসন প্রত্যাখ্যান করলাম।”
আবিদে’র পোস্টটি মুহূর্তেই ক্যাম্পাসে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। তার এই দাবির পেছনে কি কোনো বিশেষ ঘটনা রয়েছে, তা জানতে তড়িঘড়ি তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আবিদ দাবি করেছেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়া’র মধ্যে কিছু “অস্বচ্ছ” কার্যকলাপ এবং অদৃশ্য প্রভাবশালী শক্তি’র হাত রয়েছে, যা ছাত্রদে’র ভোটাধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
তার পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, “এই নির্বাচনে’র মধ্যে যে পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র চলছে, তা সম্পূর্ণভাবে ছাত্রসমাজে’র জন্য এক চরম অযাচিত অবস্থা সৃষ্টি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে আমি এবং আমার দলে’র প্রার্থীরা এই প্রহসনকে প্রত্যাখ্যান করছি।”
আবিদে’র এই পোস্ট প্রকাশিত হওয়ার পর, তার সমর্থকরা একে একটি সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তবে, অন্যদিকে, কিছু ছাত্র সংগঠন ও ভোটার’রা তাকে সরাসরি আক্রমণ করেছেন, দাবি করে যে তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়া’র বিরুদ্ধে অবিচ্ছিন্ন অভিযোগ তুলছেন, যা সুষ্ঠু নির্বাচনে’র পরিবেশে ক্ষতিকর হতে পারে।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ে’র একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আবিদের এই পোস্টে’র ফলে ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, তার এই মন্তব্য নির্বাচনী পরিবেশে’র উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং আগামী দিনে আরও সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়ে দিয়েছে, তারা অবিলম্বে আবিদে’র অভিযোগে’র তদন্ত করবে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম বা প্রভাবশালী কার্যক্রমে’র প্রমাণ পাওয়া গেলে তা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। তবে তারা আশ্বাস দিয়েছে, নির্বাচনে’র প্রতিটি ধাপ সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হবে।
এখন, ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি’র অদূর ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, এবং সবাই তাকিয়ে রয়েছে যে এই বিতর্কের পরবর্তী পর্যায় কী হবে। আবিদ রেজা এবং তার দল, পরিকল্পিত প্রহসনে’র বিরুদ্ধে আরও কী পদক্ষেপ নেবেন, তা এখন দেখা’র বিষয়।












