গাজা সিটি | ১২ অক্টোবর ২০২৫ | আল জাজিরা সূত্রে
গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধবিরতির ৭২ ঘণ্টা পার হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো হাসপাতাল প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা বা ওষুধ পায়নি, বলে জানিয়েছেন উত্তর গাজার আল-শিফা হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুহাম্মদ আবু সালমিয়া।
তিনি আল জাজিরাকে বলেন, “অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতরা যখন ধীরে ধীরে গাজা সিটিতে ফিরে আসছে, তখন এই পরিস্থিতি গুরুতর উদ্বেগের বিষয়। আমরা এখন সময়ের বিরুদ্ধে লড়াই করছি—এই মানুষদের জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিতে হবে।”
চিকিৎসা খাত ধ্বংসপ্রাপ্ত, তীব্র সংকট
ডা. সালমিয়া বলেন, “যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই গাজার স্বাস্থ্যখাত ছিল ভঙ্গুর। গত দুই বছরে একে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের দীর্ঘ কার্গো কনভয়ের প্রয়োজন। যুদ্ধ পরবর্তী প্রথম তিন মাসে হাজার হাজার ট্রাক প্রয়োজন হবে, শুধুমাত্র হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা খাতকে সচল রাখতে।”
জরুরি প্রয়োজন: অস্ত্রোপচার, ক্যান্সার চিকিৎসা, প্রশিক্ষিত ডাক্তার
- “অপারেশন থিয়েটার, অ্যানেস্থেসিয়া, হাড়ের এবং স্নায়ু অস্ত্রোপচারের জন্য ওষুধ এবং যন্ত্রপাতি নেই,” — জানান সালমিয়া।
- “গত **দুই বছরে একজন ক্যান্সার রোগীও কোনো চিকিৎসা পায়নি।”
- প্রশিক্ষিত চিকিৎসকরা কাজ করতে প্রস্তুত থাকলেও তাদের কাছে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও ওষুধ নেই।
হাজারো রোগীকে গাজার বাইরে চিকিৎসা নিতে হবে
ডা. আবু সালমিয়া আরও বলেন, “হাজার হাজার রোগী রয়েছেন, যাদের গাজার বাইরে চিকিৎসা নিতে হবে। কিন্তু সীমান্ত এবং পরিবহন সমস্যার কারণে তাও সম্ভব হচ্ছে না।”
উপসংহার
যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আশার আলো জাগালেও, বাস্তবতা হলো— গাজায় মানবিক সহায়তা ও চিকিৎসা সরঞ্জাম এখনো অনুপস্থিত। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই ভূখণ্ডে চিকিৎসা খাত পুনর্গঠন এবং জীবন রক্ষার জন্য জরুরি আন্তর্জাতিক সহায়তা দরকার।










