সুদানের এল-ফাশের থেকে পালিয়েছে ৮১ হাজার মানুষ: জাতিসংঘ

সুদানের এল-ফাশের থেকে পালিয়েছে ৮১ হাজার মানুষ: জাতিসংঘ
সুদানের এল-ফাশের থেকে পালিয়েছে ৮১ হাজার মানুষ: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
চলমান সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে সুদানের এল-ফাশের থেকে পালিয়ে গেছে ৮১ হাজারেরও বেশি মানুষ। বুধবার (৫ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)

সংস্থাটি জানায়, পালিয়েও নিরাপত্তা পাচ্ছেন না বাস্তুচ্যুত এসব মানুষ। চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে তাদের।
খবর আনাদোলু এজেন্সির

বাস্তুচ্যুতের সংখ্যা ৮১ হাজার ৮১৭

আইওএম-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এল-ফাশের এবং আশপাশের এলাকা থেকে ৮১ হাজার ৮১৭ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
তাদের বেশিরভাগই শহরের আশেপাশেই আশ্রয় নিয়েছেন।
তবে কিছুসংখ্যক মানুষ উত্তর দারফুরের কাবকাবিয়া, মেলিট, কুতুম ও তাওইলা এলাকায় চলে গেছেন।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, সুদানের অন্যান্য রাজ্যেও বাস্তুচ্যুতি ঘটেছে। এর মধ্যে রয়েছে—
হোয়াইট নাইল রাজ্যের কোস্তি, পশ্চিম কর্দোফানের ঘবেইশ, মধ্য দারফুরের মধ্য ও উত্তর জেবেল মারা, পশ্চিম দারফুরের পশ্চিম আল-জুনাইনাহ ও কুলবুস, পূর্ব দারফুরের শায়েরিয়া এবং দক্ষিণ দারফুরের পূর্ব জেবেল ও আল-উইহদা।

আইওএম জানায়, বাস্তুচ্যুতদের অনেকেই এখনো রাস্তাঘাটে চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন।

আরএসএফের দখল ও সহিংসতা

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে বলা হয়, আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) গত ২৬ অক্টোবর উত্তর দারফুর রাজ্যের রাজধানী ও কৌশলগত শহর এল-ফাশের দখল করে নেয়।
দখলের পর বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গণহত্যা চালানো হয়, যা দেশটির ভৌগোলিক বিভাজন আরও গভীর করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বর্তমানে সুদানের ১৮টি রাজ্যের মধ্যে পশ্চিমের দারফুর অঞ্চলের পাঁচটি রাজ্যই আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে, আর রাজধানী খার্তুমসহ দক্ষিণ, উত্তর, পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলের বেশিরভাগ অঞ্চল সুদানের সেনাবাহিনীর দখলে

দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে সংঘাত

২০২৩ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে সুদানের সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে সংঘাত চলছে।
আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এই যুদ্ধ বন্ধ করা যায়নি
এ পর্যন্ত সংঘাতে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন এবং লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *