ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (2026) বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এ বিজয়কে দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে উল্লেখ করেন।
অভিনন্দন বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জনগণের সুস্পষ্ট রায় শুধু একটি রাজনৈতিক দলের সাফল্য নয়; বরং এটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক উত্তরণের ধারায় এক তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন- নতুন দায়িত্ব পালনে বিচক্ষণতা,গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জনকল্যাণমুখী দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে দেশকে স্থিতিশীল ও উন্নয়নমুখী পথে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
প্রফেসর ইউনূস তার বার্তায় বিএনপি চেয়ারম্যানের পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি স্মরণ করেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর রাষ্ট্রদর্শন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর গণতন্ত্রপন্থী নেতৃত্ব। তাদের আদর্শ ভবিষ্যৎ পথচলায় অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
শুভেচ্ছা বার্তায় আরও বলা হয়, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক রূপান্তর, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, জলবায়ু সহনশীলতা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। এ সময় সুসমন্বিত নেতৃত্ব, প্রজ্ঞা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি আরো বলেন- নতুন সরকারের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় হবে এবং আইনের শাসন, জবাবদিহি ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো আরও শক্ত ভিত্তি পাবে।
একই সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব পালনের সময় সহযোগিতা ও গঠনমূলক ভূমিকার জন্য তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান প্রফেসর ইউনূস। পরিবর্তনের সংবেদনশীল সময়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষা ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার যে অবস্থান নেওয়া হয়েছে, তা জাতীয় স্বার্থে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বার্তার শেষাংশে দেশের কল্যাণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সব উদ্যোগের সাফল্য কামনা করে প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দৃঢ় নেতৃত্বের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।









